,

সর্বশেষ :
শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে কলাগাছের স্মৃতির মিনার রাজবাড়ীতে বই মেলা শুরু রাজবাড়ীতে মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে বাবার যাবজ্জীবন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ট্রাষ্টি বোর্ডকে আরও ৮ লাখ টাকা দিলেন ডা. আবুল হোসেন বালিয়াকান্দিতে শিশু ছাত্রীদের ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেফতার রাজবাড়ীতে ১৫ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী আটক রাজবাড়ীতে কলেজছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে রাজমিস্ত্রী আটক এক যুগ ধরে চিকিৎসাসেবার নামে প্রতারণা করে আসছেন রাজবাড়ীর পচা কর্মকার! সেদিন রোদ্দুর হয়নি বলেই আজ বৃষ্টি হলো… এহসান কলিন্স শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনসভায় ফয়সাল সরদারের নেতৃত্বে লক্ষীকোলের ৫ শতাধিক নারী-পুরুষ

বালিয়াকান্দির সোনাপুরে অফিস খুলে ৬বছরে দ্বিগুন লাভের প্রলোভন দেখিয়ে আমানত সংগ্রহ করছে মডার্ণ এমসিএস

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার সোনাপুর বাজারে চাকচিক্যময় অফিস খুলে “ইসলামী শরীয়াহ ভিত্তিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান” ঘোষণা দিয়ে হিসেবে রমরমা অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে যশোর ভিত্তিক “মডার্ণ এম.সি.এস লিঃ” নামের একটি এনজিও।
রাজবাড়ী জেলা-বালিয়াকান্দি উপজেলা সমবায় অধিদপ্তর ও উপজেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোন অনুমোদন না থাকলেও তারা ৬বছরে দ্বিগুণ লভ্যাংশের প্রলোভন দেখিয়ে আমানত সংগ্রহ করে চলেছে। যে কোন সময় প্রতিষ্ঠানটির লোকজন সাধারণ মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া টাকা-পয়সা নিয়ে পাগাড় পার হয়ে যেতে পারে।
গত ৯ জুন বিকেলে ওই এনজিওটির কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজ নিতে গেলে সুবেশধারী মাসুদ ইফতেখার (৩০) নামের এক ব্যক্তি নিজেকে প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজার পরিচয়ে দিয়ে এ প্রতিনিধিকে অফিসের মধ্যে বসতে দিয়ে বাইরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে জানায়, সে মাত্র ২ মাস পূর্বে মডার্ণ এম.সি.এস’র এই ব্রাঞ্চের ম্যানেজারের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তাদের হেড অফিস যশোরে। শুধুমাত্র জয়েন্ট স্টোক কোম্পানী হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রেজিস্ট্রেশন ছাড়া আর কোন কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়ে সে কোন কিছু জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির এমডি’র মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে তার সঙ্গে কথা বলতে বলেন। মাসুদ ইফতেখার জানান, তিনিসহ মোট ৩ জন স্টাফ অফিসটি পরিচালনা করছেন। অন্য দু’জনের একজন আবদুল্লাহ আলম মামুন ওরফে বাবু (২৫) এ্যাকাউন্টট্যান্ট এবং রফিকুজ্জামান ইমন ওরফে ইমু মাঠকর্মী।
মাসুদ ইফতেখার এবং বাবু’র ভাষ্যমতে ২০১৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তারা সোনাপুর ব্রাঞ্চের কার্যক্রম শুরু করেন। ব্যবসায়ীদেরকে দৈনিক কিস্তিতে ( ৬ মাসে ১২% সুদে) এবং মহিলাদের নিয়ে সমিতি গঠন করে সাপ্তাহিক কিস্তিতে (বছরে ১৫% সুদে) এ পর্যন্ত ১৫ লক্ষাধিক টাকা ঋণ দিয়েছেন। ডিপিএস সিস্টেমে আমানত সংগ্রহ করলেও তারা সংগৃহীত আমানতের কোন পরিমান বলতে পারেনি। তারা আরো জানায়, তাদের এ ধরনের আরেকটি শাখা বালিয়াকান্দির আনন্দ বাজারেও রয়েছে। তবে সোনাপুরের স্থানীয়রা জানায়, আমানতের পরিমান কমপক্ষে ২০ লাখ ছাড়িয়েছে।
সোনাপুর বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় লোকজনের সাথে এ ব্যাপারে কথা বললে তারা প্রতিষ্ঠানটির স্থায়ীত্ব নিয়ে গভীর সন্দেহ এবং রাজবাড়ীর বিভিন্ন স্থান থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে উধাও হয়ে যাওয়া হায় হায় এনজিওগুলোর মতো তারাও যে কোন সময় ভেগে যেতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন।

 

 

 

আপডেট : মঙ্গলবার ১ জুলাই,২০১৪/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর