,

রাজবাড়ী শহরের ২নং রেলগেট ও লোকসেড বধ্যভূমি সংলগ্ন এলাকায় এবার রেলওয়ের পুকুরে ড্রেজার বসিয়ে মাটি লুটের মহোৎসব!

News

স্টাফ রিপোর্টার : ক্রমেই বেপরোয়া হয়ে উঠছে মাটি খেকো চক্র। এবার তাদের দৃষ্টি পড়েছে রেলওয়ের জমির উপর। কয়েক দিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র রাজবাড়ী শহরের ২নং রেলগেটের অদূরে অবস্থিত রেলওয়ের একটি পুকুর থেকে ড্রেজার লাগিয়ে দেদারছে মাটি উত্তোলন করে বিক্রি করছে। এতে ওই পুকুরের পার্শ্ববর্তী বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ‘ভাঙ্গন আতংক’ সৃষ্টি হয়েছে। মাটিখেকো চক্র প্রকাশ্যে এ অপকর্ম করে চললেও রেল প্রশাসন নীরব রয়েছে।

জানাগেছে, রাজবাড়ী শহরের ২নং রেলগেট ও লোকসেড বধ্যভূমি সংলগ্ন মাঝামাঝিতে রেললাইনের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত রেলওয়ের বিশালাকৃতির ঐ পুকুরটি দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে মাছ চাষ ও পোল্ট্রী খামার করা হচ্ছিল। প্রতি বছর সেখান থেকে কয়েক লক্ষ টাকা করে আয় হলেও লোভ বেড়ে যাওয়ায় এবার ঐ পুকুর থেকে মাটি বিক্রি করছে ইজারাদার। এ জন্য সে বেড়াডাঙ্গার-ই এক ব্যক্তির সাথে ৫লাখ টাকায় তার একটি পুকুর ভরাটের চুক্তি করে রেলের ঐ পুকুরটিতে ড্রেজার লাগিয়ে অননুমোদিত পন্থায় মাটি উত্তোলন করে পাইপ লাইনের সাহায্যে সেই ব্যক্তির পুকুরে সরবরাহ করতে থাকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে কয়েক দফায় রেলওয়ের কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলেও রহস্যজনক কারনে তারা কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা থেকে বিরত রয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, রেলওয়ের ঐ পুকুর থেকে যে পদ্ধতিতে(স্ক্রু-ড্রেজিং) মাটি উত্তোলন করা হচ্ছে, তা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। কারণ, ঐ পদ্ধতিতে মাটি উত্তোলন করলে তা মাটির অত্যন্ত গভীর থেকে, ক্ষেত্র বিশেষে শতাধিক ফুট নীচ থেকেও মাটি তুলে আনা হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এর কোন বিরূপ প্রভাব না পড়লেও কিছু দিনের মধ্যেই আশপাশের এলাকায় ভাঙ্গন ধরে এবং আস্তে আস্তে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। এ কারনেই স্থানীয় বাসিন্দারা ‘নিশ্চিত ক্ষতিগ্রস্থ’ হওয়ার আশংকায় আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে তারা ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

 

 

 

আপডেট : সোমবার ৭ জুলাই,২০১৪/ আশিক

 

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর