,

কিছু অভ্যাস বাদ দেওয়াই ভালো

News

নিউজ ডেস্ক : জীবনে সুস্থ থাকতে অনেকেই ব্যায়াম করে থাকেন। অনেকেই আবার ওজন কমানোর বিকল্প হিসেবে ব্যায়ামকে আমলে নেন। কিন্তু অতিরিক্ত কোনো কিছুই শরীরের জন্য ভালো নয়। এতে বরং বিপদ বাড়ে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট কিছু অভ্যাস আমাদের শরীরের জন্য ভালো নাও হতে পারে। তাই এগুলো বাদ দেওয়াই ভালো।

এবার টাইমস অব ইন্ডিয়া অবলম্বনে এসব অজানা তথ্যকে জানিয়ে দিচ্ছে অর্থসূচক:

এক. খাওয়ার পরপরই দাঁত ব্রাশ থেকে বিরত থাকুন:

সাধারণত আমরা দিনে দু’বার দাঁত ব্রাশ করে থাকি। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এবং রাতে খাওয়ার পরে। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে,খাওয়ার পরপরই ব্রাশ করা ঠিক নয়। কারণ খাওয়ার পরে খাবারের কণাগুলো দাঁতের মাড়ির স্তরের এনামেলে এক ধরনের অম্ল পদার্থ ছাড়ে যা দাঁতের মাড়ির জন্য ভালো। অন্যথায় তা মাড়িতে কাজ করতে পারে না। তাই খাবার কমপক্ষে এক ঘণ্টা পরে দাঁত ব্রাশ করুন। এতে উপকার পাবেন।

দুই. হ্যান্ডওয়াশ নয় সাবান ব্যবহার করুন:

সবসময় হ্যান্ডওয়াশ ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ প্রায় সব ধরনের হ্যান্ডওয়াশে ট্রিক্লোজান নামে এক ধরনের ক্যামিকেল থাকে যা হাত ধোয়ার সাথে সাথে ত্বকে মিশে যায়। এটি রক্ত প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করে, পেশী সমন্বয়ের প্রয়োজনীয় কোষ তৈরিতে বাঁধা দেয়, বন্ধ্যাত্ব, তাড়াতাড়ি বয়ঃসন্ধি এবং হৃৎযন্ত্রের কার্যক্রমে বাঁধা দিয়ে থাকে। আবার আমরা বাইরে এসেই প্রায়সময়ই হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে হাত ধুয়ে থাকি। এতে হ্যান্ডওয়াশের বাটনে জীবাণু লেগে যায় যা পরবর্তী সময়ে হাতে লাগতে পারে। তাই ভালো থাকতে হ্যান্ডওয়াশের পরিবর্তে সাবান ব্যবহার করুন।

তিন. ওজন কমাতে হৃদপিন্ডের জটিলতা এড়িয়ে চলুন:

স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সকালে দৌড়ানো এবং সাঁতার কাটার কোনো বিকল্প নেই। কিন্তু অতিরিক্ত ওজন সচেতন ব্যক্তি ওজন কমাতে গিয়ে এসব ব্যায়ামে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। এমনকি খাবারেও তার প্রভাব পড়ে। এতে করে শরীরে প্রয়োজনীয় ক্যালরি তৈরি হয় না। এসব ব্যক্তিদের হৃদপিন্ডের জটিলতা বেড়ে যায়। তাই জটিলতা এড়াতে বাসায় বসেই কিছু হালকা ব্যায়াম এবং খাবারে সচেতন হয়ে ওজন কমানোর অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে হৃদপিন্ডের কোনো জটিলতা দেখা দেবে না।

চার. প্রসাধনী পরিবর্তনে সতর্ক থাকুন:

ঘন ঘন প্রসাধনী পরিবর্তন থেকে বিরত থাকুন। কারণ মানবদেহের ত্বকে পি.এইচ এর স্তর ৫.৫। যারা প্রসাধনী তৈরি করেন তারা বিভিন্ন স্তরের ত্বকের জন্য ভিন্ন ভিন্ন প্রসাধনী তৈরি করে থাকেন। যাদের ত্বক অনেক কোমল তাদের এই স্তরের পরিবর্তনে ত্বকে লালচে ভাব, অ্যালার্জী, ছোপ ছোপ দাগ এমনকি চামড়া পুড়ে যাওয়ার মতো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তাই প্রসাধনী পরিবর্তনের সময় পি.এইচ এর স্তর সম্পর্কে সতর্ক হোন।

পাঁচ. বাইরের পানি খাওয়া এড়িয়ে চলুন:

বাইরের পানিতে অনেক রোগ-জীবাণু মিশে থাকে যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। তাই সুস্থ থাকতে এ পানি খাওয়া এড়িয়ে চলুন। সবসময় বিশুদ্ধ পানি পান করার চেষ্টা করুন।

সুস্থ থাকলে চাইলে উপরোক্ত অভ্যাসগুলি অনুসরণের কোনো বিকল্প নেই। তবে এক্ষেত্রে একটু সচেতনতাই পারে আপনাকে ভালো রাখতে।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর