স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৩বছর অতিক্রম হলেও একটি ব্রিজের অভাবে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে পাংশা পৌরসভার ১০গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৭:০২ অপরাহ্ণ ,১৪ জুলাই, ২০১৪ | আপডেট: ৭:২২ অপরাহ্ণ ,১৪ জুলাই, ২০১৪
পিকচার

রবিউল ইসলাম : স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৩বছর অতিক্রম হলেও রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার পৌরসভাধীন সাবেক নারায়নপুর গ্রামে চন্দনা নদীর উপর একটি ব্রীজের অভাবে এলাকার প্রায় ১০টি গ্রামের অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা, শিক্ষা, কর্ম সংস্থান সহ বিভিন্ন মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।

এলাকার জনপ্রতিনিধিরা গ্রামবাসীকে আশ্বাস প্রদান করলেও আজও সামান্যতম উন্নয়নের ছোয়া পড়েনি।

পাংশা পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের এলাকা সমূহ চন্দনা নদীর উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পাংশা শহরের শ্বশান ঘাট, কলেজ ঘাট, মিরগীডাঙ্গা, পুরাতন বাজার সাবেক নারায়নপুর, কাচারীপাড়া, চরআফরা, সুইচগেট, গৌতমপুর, গোপালপুর সর্ব মোট ১০টি গ্রামের কমপক্ষে ৫০হাজার মানুষ একটি ব্রিজের অভাবে চরম দূর্ভোগ পোহাচ্ছে।

এসব এলাকার লোকজনের যাতায়াতের এক মাত্র অবলম্বন বাশের সেতু। দীর্ঘদিন ধরে এসকল এলাকাবাসীরা জনপ্রতিনিধি সহ বিভিন্ন জায়গায় ধরনা দিয়েও কোন প্রতিকার না পেয়ে এলাকার ভুক্তভোগী জনগন নিজেদরে উদ্যোগে একটি বাঁশের সেতু নির্মান করে যাতায়াত করছে।

এসব এলাকায় উৎপাদিত ফসল বাজারে পরিবহন করতে না পেরে কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছে না। শিক্ষার ক্ষেত্রেও নানা বিড়ম্বনার স্বীকার হতে হচ্ছে এদের। চলাচলের জন্য এক মাত্র বাসের সেতু হওয়ায় অনেক সময় রোগী আনা নেওয়ায় নানা সমস্যায় পরতে হয়। গ্রামটি সরেজমিনে পরির্দশনে গেলে এলাকাবাসী জানান, নানা সমস্যার কথা।

স্থানীয় বাসিন্দা জলিল মিয়া জানান, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংসদ সদস্য জিল্লুল হাকিম এর কাছে এলাকার সাধারন গরীব মানুষ একাধিকবার লিখত দরখাস্ত দিয়েছে কিন্তু তিনিও শুধু আশ্বাস দিয়েছে। কোন কাজ হয়নি তাই আমরা এখন এটাকেই আমাদের নিয়তি বলে মেনে নিয়েছি। এর আগে বিএনপি ৪দলীয় জোট সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন এলাকার সাধারন মানুষ ততকালীন সংসদ সদস্য নাসিরুল হক সাবুর কাছেও একাধিক বার লিখিত দরখাস্ত করেছিলো।

শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সহ বিভিন্ন মৌলিক অধিকার বঞ্চিত এসকল এলাকার লোক জন তাদের দূর্ভোগ লাঘবে দ্রুত একটি ব্রিজ নির্মানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সংস্লিষ্ঠদের আশু হস্থক্ষেপ কামনা করছেন।

 

 

আপডেট : মঙ্গলবার ১৫ জুলাই,২০১৪/ ০১:০১ এএম/ আশিক

 


এই নিউজটি 1265 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]