,

নদীভাঙ্গন প্রতিরোধে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের গৃহীত ব্যবস্থা

News

10563157_719770974727500_693791199708618976_n
রাজবাড়ী ডেস্ক : রাজবাড়ী জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মানদীতে সম্প্রতি পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজান থেকে আসা পানির প্রবল স্রোতের কারণে রাজবাড়ী সদর উপজেলার পদ্মানদীর তীরবর্তী কয়েকটি স্থানে নদী ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। তন্মধ্যে রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের লালগোলা এবং মিজানপুর ইউনিয়নের মহাদেবপুর এলাকায় তীব্র নদী ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে।

এ সকল এলাকার নদী ভাঙ্গন পরিস্থিতি রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান সরেজমিনে পরিদর্শন করে নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের লক্ষ্যে অস্থায়ী নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিতে তাৎক্ষণিকভাবে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করেন।

সে প্রেক্ষিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজবাড়ী পওর বিভাগ লালগোলা নামক স্থানে রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধের ১০০ মিটার এলাকার জিও ব্যাগ বালি ও ব্লক দিয়ে অস্থায়ী নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করছে। কিন্তু ইত্যবসরে লালগোলার কবরস্থানের ৫০ মিটার এলাকা নদীভাঙ্গন কবলিত কবরস্থান রক্ষায় বাশের পাইলিং দিয়ে ভাঙ্গন প্রতিবোধের চেষ্টা করেন। এ কাজে নিয়োজিত শ্রমিকদের উৎসাহিত করতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে আহার্য্য বাবদ তাৎক্ষণিকভানবে জেলা প্রশাসনের ত্রাণ ভান্ডার থেকে ২ মেঃ টন জি,আর চাউল এবং নদী ভাঙ্গনের শিকার ৩৬ টি পরিবারে প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে ৩৬ হাজার টাকা জি,আর ক্যাশ বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বরাদ্দকৃত অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম স্বয়ং সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে ৩৬ টি পরিবারের মধ্যে জি,আর ক্যাশের চেক হস্তান্তর করেন।

নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধের লক্ষ্যে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশেষজ্ঞদের দ্বারা ভাঙ্গন কবলিত এলাকা জরিপকরণ এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রস্তাবিত ৫ কিঃ মিঃ এলাকার স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ কাজের ডিপিপি অনুমোদনের জন্য জেলা প্র্রশাসক পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়েছেন।

আশা করা যায়- পানি উন্নয়ন বোর্ড এ বিষয়ে ত্বরিত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 

 

আপডেট : শনিবার ২৬ জুলাই,২০১৪/ ০৩:১৮ এএম/ আশিক

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর