,

লাইবেরিয়ায় জরুরি অবস্থা : ইউরোপে আতংক

News

ডেস্ক রিপোর্ট : অপ্রতিরোধ্য ইবোলা ভাইরাস আরও ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ায় লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পশ্চিম আফ্রিকার তিনটি দেশে ৭০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে আরও অন্তত এক হাজার ৩০০ জন।
শুক্রবার লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওন কর্তৃপক্ষ আলোচনা করে জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেয়। একইসঙ্গে দেশ দুটি আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে এ নিয়ে বৈঠকও বাতিল করেছে।
শুক্রবারই গিনির রাজধানী কোনক্রেতিতে ইবোলাকবলিত দেশগুলোর নেতারা জরুরি বৈঠকে বসছেন। খবর : টেলিগ্রাফ
লাইবেরিয়ার রাষ্ট্রপতি অ্যালেন জনসন স্যারলিফ জরুরি অবস্থা ঘোষণার আগে দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন। তিনি স্কুল বন্ধের পাশাপাশি বিপণিবিতানে জটলাও নিষিদ্ধ করেছেন।
এছাড়াও সিয়েরা লিওনের রাষ্ট্রপতি আর্নেস্ট বাই করোমা দেশটিতে অন্তত দুই থেকে তিন মাসের জন্য এ জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেন। এ সময় ঘরে ঘরে অনুসন্ধান চালিয়ে ইবোলা আক্রান্ত রোগীদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেন। এদিকে জাতিসংঘের সহযোগী বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ইবোলা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে নিহতের সংখ্যা বাড়ায় আশংকা প্রকাশ করেছে।৪
এদিকে আতংক আর অসহায়তা। পশ্চিম আফ্রিকায় ইবোলা ভাইরাসের আক্রমণ ক্রমশ ভয়াবহ রূপ নিতে শুরু করার পরই সতর্কতা জারি হয়েছে ইউরোপজুড়ে। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শুরুতেই যে রোগকে দুরারোগ্য বলে ঘোষণা করেছে তার সামনে অসহায়তা আর আতংকিত হওয়া ছাড়া কী-ই বা করতে পারে মানুষ?
ইউরোপের একাধিক দেশ ইতিমধ্যেই পশ্চিম আফ্রিকার তিনটি দেশ, গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে যাত্রীবাহী বিমান পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। ওই তিন দেশে এখনও পর্যন্ত এই মারণ রোগে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৬৭০ জন মানুষ। প্রতিদিনই এই সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে। বিজ্ঞানীরা সাবধান করেছেন, ছোঁয়াচে লাগলেই এক মানুষের দেহ থেকে অন্য মানুষের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদি উপযুক্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা না নেয়া হয়, তা হলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে অতি সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে এই রোগ। মহামারীর দুঃস্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে ইউরোপ। ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে ইংল্যান্ডের আশংকা সবচেয়ে বেশি।

 

 

আপডেট : রবিবার ৩ আগষ্ট,২০১৪/ ০২:১৯ এএম/ আশিক

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর