,

সর্বশেষ :
রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য বিএনপির মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন অ্যাড. খালেক ও আসলাম সুষ্ঠু নির্বাচন হলে রাজবাড়ী-১ আসন পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হবো : অ্যাড. খালেক রাজবাড়ী-১ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী অ্যাড. আসলাম মিয়ার গণসংযোগ রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন ইমদাদুল হক বিশ্বাস রাজবাড়ীতে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন রাজবাড়ীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে কুপিয়ে জখম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য আ’লীগের মনোনয়ন ফরম নিলেন আশরাফুল ইসলাম রাজবাড়ী-১ আসনের জন্য জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম নিলেন মিল্টন প্রত্যেকটি মানুষের ঘরে শান্তি পৌঁছে দেওয়া হবে : রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার রাজবাড়ীতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ চরমপন্থি নেতা নিহত

‘বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না’

News

ডেস্ক রিপোর্ট : জন্মলগ্ন দেহ জোড়া দুই বোন। গঙ্গা-যমুনা। কলকাতার বসিরহাটে জন্ম দুই বোন রাজ্যে ‘মাকড়সা কন্যা’ নামেই পরিচিত। তাদেরও একটা স্বাভাবিক মানুষের মতো ২টি হাত, ২টি পা, নাক-কান সবই আছে। কপাল দোষে দেহটাই জোড়া লাগানো। দেহ তাদের ২টি হলেও হৃদয় কিন্তু একটাই। তাই ৪৫ বছর বয়সী গঙ্গা-যমুনার হৃদয়ের মানুষও এক। দুটি মানুষ এক হৃদয় দিয়ে ভালবাসে একমাত্র জসিমউদ্দিনকে। তাদের কাছে জসিমউদ্দিন ভগবানের দূত। ভালবাসার প্রাণ পুরুষ। গঙ্গা-যমুনারও যেন, বন্ধু বিনে প্রাণ বাঁচে না। জসিমউদ্দিনের একদিন একটু আসতে দেরি হলে অস্থির হয়ে পড়েন দুই বোন। খবর নেন ফোন করে। সারাদিনই চলে তাদের ৩জনে খুনসুটি।
গঙ্গা-যমুনারা পরিবারের সদস্য তারা সবমিলিয়ে ৬জন। মা-বাবা, রয়েছে আরও ৩ ভাইবোন। কষ্টের সংসার। নুন আনতে পানতা ফুরোয়। এ দুই বোনই পরিবারের মুখে অন্ন্ তুলে দেন। রাজ্যে বিভিন্ন্ জায়গায় সারকাস, মেলায় তারা কাজ করেন। টিকিট কেটে সাধারণ মানুষ দেখেন তাদের, সকলের থেকে একেবারে আলাদা বলে। এক সময় তাদের পাশে এসে কেউ দাঁড়ায় নি। অসহায় দুই বোনের পাশে দেবদূতের মতো পাশে এসে দাঁড়ান জসিমউদ্দিন। পেশায় তিনি স্কুল শিক্ষক। নৈহাটির একটি প্রথামিক বিদ্যালয়ে পড়ান তিনি। তার বাড়িতে রয়েছে অসুস্থ্য স্ত্রী এবং মা। কিন্তু এই দুই বোনকে দেখে তাদের দিকে বন্ধুত্বের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। সবসময়ই এ দুজনের পাশে থাকার চেষ্টা করেন তিনি।
গঙ্গা-যমুনা নিজেদের কথা বলতে গিয়ে জানালেন, সমাজের কাছে একসময় তারা অনেক অবজ্ঞা পেয়েছেন। দেখতে তারা স্বাভাবিক না হওয়ায় সকলে তাদের নিয়ে ব্যঙ্গও করেছ। কিন্ত্ত আজ তারাই দুই বেলা দুমুঠো অন্ন্ তুলে দেন পরিবারের মুখে। জানালেন নিজেদের কষ্টের কথাও, বললেন, আমরা এখনও খুশি নয়। পয়সা রোজগার করলেই সুখী হওয়া যায় না। জানি না কপালে কী আছে? তবে একদিক দিয়ে জসিমউদ্দিনকে পেয়ে আমরা একটু নিশ্চিন্ত। জসিমউদ্দিনও জানালেন, দুই বোনের প্রতি তার ভালবাসার কথা। তিনি বলেন, আমার হাতে টাকা থাকলে তাদের কষ্ট করতে দিতাম না। বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে খেলা দেখাতেও দিতাম না। নিজের মা আর স্ত্রীর মতোই বাড়িতে তাদের রাখাতাম যত্নে। আমার তাদের প্রতি ভালবাসা হৃদয়ের ভালবাসা। মনের টান। নি:খুদ একটা অনুভব।

 

 

আপডেট : মঙ্গলবার ৫ আগষ্ট,২০১৪/ ০১:৪৭ পিএম/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর