,

রাজবাড়ীর নিমতলার এক মোটর সাইকেল চোরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের নিমতলা গ্রামের মোটর সাইকেল চোর রাসেল (২০)-এর বিরুদ্ধে গত ১১ আগস্ট রাতে সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। খানখানাপুর ঢেকিগাড়িয়া গ্রামের ইব্রাহীম মল্লিক বাবু অভিযোগটি দাখিল করেন।

ইব্রাহীম মল্লিক বাবু’র অভিযোগ, গত ২১ জুন রাতে বসত ঘরের বারান্দার গ্রীল ভেঙ্গে তার ব্যবহৃত একটি ১০০ সিসির টিভিএস মেট্রো মোটর সাইকেল চুরি হয়। ঐ ঘটনায় সে ২৩ জুন রাজবাড়ী থানায় ৯৭৭ নং জিডি করে। গত ১০ আগস্ট নিমতলা বিল এলাকা থেকে জনৈক শ্রীরাম দাসের একটি ইয়ামাহা মোটর সাইকেল চুরি হলে এলাকার লোকজন ঐ চুরির সাথে জড়িত সন্দেহে মাহবুব হোসেন লিটনসহ অন্যান্যদের উপস্থিতিতে নিমতলার ওয়াজদ্দিনের ছেলে রাসেলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল স্বীকার করে যে, সে নিমতলার মৃত মহন শেখের ছেলে ইমলাক(৩৪) ও জাহান সরদারের ছেলে রহিম সরদার(৩৪) এবং গোয়ালন্দের স্বরূপার চকের নাছির (৪০)সহ আরো কয়েক জনের সাথে মিলে মোটর সাইকেল চুরি করে বিক্রি করে থাকে। শ্রীরাম দাসের মোটর সাইকেলটিসহ শহীদ ওহাবপুর ইউপির চেয়ারম্যান একেএম শফিউদ্দিন কাশেম, মেম্বার মাহবুব হোসেন লিটন এবং ইব্রাহীম মল্লিক বাবু’র মোটর সাইকেলটিও সে চুরি করেছে। তখন সকলে মিলে রাসেলকে চাপ দিয়ে সাম্প্রতিককালে চুরি হওয়া মোটর সাইকেলগুলো উদ্ধারের পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে রাসেল চেয়ারম্যান কাশেমের হেফাজতে থাকা অবস্থায় চেয়ারম্যান কাশেম নিজের চুরি হওয়া মোটর সাইকেলটির ব্যাপারে তার সাথে সমঝোতা করে রাসেলকে ছেড়ে দেয়। সমঝোতা অনুযায়ী, চেয়ারম্যান কাশেম নিজের চুরি হওয়া মোটর সাইকেলটির মূল্য কেটে রেখে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে রাসেলের কাছ থেকে তার নামীয় কয়েক শতাংশ জমি লিখে নেয় এবং অন্য কেউ যাতে রাসেলের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে না পারে সে জন্য তাকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে তুলে না দিয়ে শেল্টার দেয়া শুরু করে। এ কারণে স্বীকারোক্তি দিলেও চুরি হওয়া মোটর সাইকেলগুলোর মালিকদের কেউই আর রাসেলের কাছে ঘেঁষতে পারছে না।

 

 

আপডেট : বুধবার ১৩ আগষ্ট,২০১৪/ ০৪:৫১ পিএম/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর