,

রাজবাড়ী-ফরিদপুর রেলপথে সিগন্যাল বিভাগের প্রকৌশলীর সীমাহীন দূর্নীতি

News

স্টাফ রিপোর্টার : পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের অতিরিক্ত প্রধান সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী অসীম কুমার তালুকদার স্বপদে বহাল থেকে পাঁচুরিয়া-ফরিদপুর স্টেশনে ২ কোটি টাকার সিগন্যাল প্রকল্পের কাজ ঠিকাদারের লাইসেন্স ব্যবহার করে রেল বিভাগের নিজের অধিনস্থ কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দিয়ে বাস্তবায়ন করছেন। দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীর মালামাল সরবরাহের পরিবর্তে ঘরে তৈরী অতি নিন্মমানের মালামাল গছিয়ে দেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রেলওয়ের সংকেত বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উদ্ধর্তন কর্মকর্তার অনৈতিক কাজ করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তিনি সাময়িক বরখাস্ত ও বদলী করার হুমকী দিয়ে তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে বাধ্য করেছেন।

রেলওয়ের সংকেত বিভাগের পুরাতন মালামাল ও ঘরে তৈরী মালামাল দিয়ে নিজের বিভাগের কর্মচারীদের দিয়ে তৈরী করেছেন প্যানেল বোড, রিলে বক্স, ভোল্ট স্টাবিলাইজার, আইপিএস, মেইন ট্রান্সফরমার। পাঁচুরিয়া, খানখানাপুর, আমিরাবাদ ও ফরিদপুর রেলস্টেশনে তার স্থাপন করা হয়েছে। স্থাপনের শুরুতেই উক্ত যন্ত্রপাতি অকেজো হয়ে পড়ায় তাঁর অধিনস্থ কর্মচারীদের দিয়ে কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া সেকশনের কয়েকটি স্টেশন থেকে যন্ত্রপাতি এনে স্থাপন করেছেন।

আজ সকাল ১০টায় পাঁচুরিয়া রেলস্টেশনে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সংকেত ও টেলিযোগ) অসীম কুমার তালুকদারের সঙ্গে উক্ত বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, রেল বিভাগের ভালোর জন্য ঠিকাদারের কাজটি তিনি করছেন। কারণ ঠিকদার মান সম্পন্ন মালামাল সরবরাহ করতো না। তাই তিনি বাজার থেকে ভাল ভাল মালামাল কিনেছেন। এটা দোষের কিছু না। তিনি আইপিএস দেখিয়ে বলেন এর ব্যাটারী রহিম আফরোজ থেকে কেনা, এটা বাজারের সেরা। আইপিএস চালু করে দেখাতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে গেল। অনেক ঝাকাঝাকির পরেও তিনি দুটি আইপিএসর একটিও সচল করতে পারলেন না। রিলে বক্স এর রিলে যন্ত্রাংশগুলো স্টিলের ¯িপ্রং এর স্থলে পাটের সুতালী দিয়ে বাধা। রিলে বক্স এর বাক্সটাই নতুন কিন্তু সকল যন্ত্রাশং পুরাতন।

উল্লেখ্য, প্রকৌশলী অসীম কুমার তালুকদার বিগত সময়ে পশ্চিমাঞ্চলীয় রেলওয়ের চীফ পার্সোনাল অফিসার থাকায় রেলওয়ের শ্রমিক কর্মচারী নিয়োগ বাণিজ্যে হোতা হিসাবে ব্যাপক সমালোচিত হন।

 

 

আপডেট : বৃহস্পতিবার ১৪ আগষ্ট,২০১৪/ ০৪:০৫ পিএম/ আশিক

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর