,

হাবাসপুরের নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

News

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান গতকাল ১৬ই আগস্ট পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী হাবাসপুর পূর্বপাড়া ও হাবাসপুর খেয়াখাট এলাকার প্রায় ৪কিলোমিটার ভাঙ্গন কবলিত অংশ আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। এ সময়ে পাংশা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।

সরেজমিনে পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান প্রত্যক্ষ করেন-সম্প্রতি পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় উজান থেকে আসা পানির স্রোতে হাবাসপুর ইউনিয়নের পদ্মা নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা নদী ভাঙ্গন কবলিত হয়ে পড়েছে। এরমধ্যে ফরিদপুর-বরিশাল এফসিডি প্রকল্প(এরিয়া-১) এর পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ইউনিয়নের হাবাসপুর পূর্বপাড়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের কিঃ মিঃ ১২.০১৫ হতে কিঃ মিঃ ১২.১৫০ পর্যন্ত ১৩৫ মিটার এবং হাবাসপুর খেয়াঘাট এলাকায় কিঃ মিঃ ১২.৬৫০ হতে কিঃ মিঃ ১২.৭৩ পর্যন্ত ৮০ মিটার মোট ২১৫ মিটার অংশে নদী ভাঙ্গন ও ঢেউয়ের আঘাতে বাঁধের টোলাইন/ঢাল ও বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বর্তমানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভাঙ্গন আরও বৃদ্ধি পেলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ২১৫মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে। বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে পাংশা ও কালুখালী উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকার আবাদী জমির ফসল, বসত বাড়ী, সরকারী-বেসরকারী অবকাঠামো, রাস্তাঘাট ও জানমালের ব্যাপক ক্ষতিসাধন হবে।

বর্তমান অবস্থায় বর্ণিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বাঁধের ঢাল ও অস্থায়ী নদীর তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা অত্যাবশ্যক হয়েছে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের রাজবাড়ী পওর বিভাগের তথ্যমতে এ কাজে যথাক্রমে মোট ১৯লক্ষ ৬৭হাজার প্রয়োজন হবে।

জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে ভাঙ্গন প্রতিরোধে অতি জরুরীভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানিয়ে পত্র প্রেরন করেছেন।

 

 

আপডেট : রবিবার ১৭ আগষ্ট,২০১৪/ ১০:০৯ এএম/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর