,

বালিয়াকান্দিতে নিজের বাড়ীর হরিঠাকুরের মুর্তি ভেঙ্গে গৃহকর্তা সুনিল লাপাত্তা!

News

বালিয়াকান্দি প্রতিনিধি : নিজের পরিবারের লোকজন আগত দুই হরিঠাকুর ভক্তকে আপ্যায়ন না করায় নিজের বাড়ীতে স্থাপিত হরি ঠাকুর মন্দিরের মূর্তি ভাংচুর করে এলাকায় হিন্দু- মুসলমান সম্প্রীতি নষ্ঠ করে সংঘাত সৃষ্টি করার চক্রান্ত করে গা-ঢাকা দিয়েছে বালিয়াকান্দি উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের মাশালিয়া গ্রামের সুরেন মন্ডলের পুত্র সুনিল মন্ডল(৬২)। ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৫ই আগস্ট সকাল ১০টার দিকে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, সুনিলের বাড়ীতে স্থাপিত হরি ঠাকুরের মন্দিরের মূর্তি ভাংচুরের ঘটনা প্রথমে এলাকার জনমনে ভিন্ন প্রশ্নের প্রশ্নের জন্ম দেয়। যা এলাকার হিন্দু- মুসলমান সম্প্রীতি, সংঘাতে রূপ নিতে যায়। কিন্তু পরে সব ঘটনা ফাঁস হয়ে যায়। সুনিল হিন্দু- মুসলমান সম্প্রীতি নষ্ট করার চক্রান্ত করতে নিজের বাড়ীর মন্দিরের হরিঠাকুরের মুর্তি ভাংচুর করে পাশের ডোবায় ফেলে দেয়।

অনিল কুমার মন্ডল জানান, তার আপন ভাই সুনিল মন্ডল(৬২) দীর্ঘ ১০বছর যাবৎ নিজ বাড়ীর হরি ঠাকুরের মন্দির নির্মান করে সেখানেই রাত্রি যাপন করে আসছিল। গত শুক্রবার সকালে উপজেলার জঙ্গল ইউনিয়নের পোটরা গ্রাম থেকে হরিঠাকুর ভক্ত দুই জন অতিথি বাড়ীতে আসলে বাড়ীর লোকজন আপ্যায়ন না করলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এনিয়ে ছেলে গুরুপদ মন্ডল, পুত্রবধু, স্ত্রীর সাথে রাগারাগি করে হরি ঠাকুর মন্দিরের কার্তিক ঠাকুর, হরিচাঁদ মুর্তি ও শান্তি মা মুর্তি ভাংচুর করে। সে গুলো বাড়ীর পাশের ঢোবায় ফেলে দিয়ে কাউকে কিছু না বলে গাঢাকা দেয়।

সুনিল মন্ডলের ছেলে গুরুপদ মন্ডল জানান, তার পিতা নিজেই মুর্তি ভেঙ্গে গা-ঢাকা দিয়েছে। গতকাল শনিবার সকালে বালিয়াকান্দি থানা পুলিশ ও পুজা উৎযাপন পরিষদের নেতাকর্মী, জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একেএম ফরিদ হোসেন বাবু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে এ খবর লেখা পর্যন্ত সুনিলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়নি।

জামালপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একেএম ফরিদ হোসেন বাবু জানান, মন্দিরের মুর্তি নিজে ভেঙ্গে দিয়ে সুনিল মন্ডল পালিয়েছে। এ ধরনের ঘটনা অনেক ক্ষেত্রে এলাকায় সম্প্রীতি নষ্ঠ করে।

 

 

আপডেট : রবিবার ১৭ আগষ্ট,২০১৪/ ১০:১৩ এএম/ আশিক

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর