,

অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে রাজবাড়ীতে বন্যার আশংকা : ভাঙন আর নৌ-ডাকাতের ভয়ে উভয় সংকটে পদ্মা পাড়ের মানুষ

News

স্টাফ রিপোর্টার : পদ্মা নদীতে কয়েক দিনে অব্যাহত পানি বৃদ্ধিতে রাজবাড়ীতে বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে। সেই সাথে মিজানপুর ইউনিয়নের সোনাকান্দর হতে বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা পর্যন্ত শহর রক্ষা বেরী বাধ ও নদীর তীরবর্তী এলাকার বাড়ী-ঘর হুমকীর মুখে পড়েছে।

এছাড়াও দাদশী ইউনিয়নের বলিতা স্লুইচ গেটটির পাল্লা বন্ধের স্যাপট দীর্ঘদিন ধরে অকেজো অবস্থায় থাকায় সেখান দিয়ে গেটে দিয়ে পানি ঢুকে দাদশী ইউনিয়নের জয়রামপুর, বরাট ইউনিয়নের ভবদিয়া, বেলবাড়ী এবং রাজবাড়ী পৌর এলাকার লক্ষ্মীকোল ও মাধবলক্ষ্মীকোল এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে এবং জমিতে রোপিত ফসল ডুবে যাচ্ছে।

এ অবস্থার প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান গতকাল ২২ আগস্ট বিকেলে সরেজমিন পরিদর্শন করে দাদশীর বলিতা স্লুইচ গেটের স্যাপট মেরামত, বরাট ইউপির উড়াকান্দা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রক্ষার জন্য জরুরী নদী তীর সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন এবং পদ্মানদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকার ভাঙ্গনরোধে জরুরী পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট জরুরী ফ্যাক্স বার্তা প্রেরন করেছেন।

জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খানের পরিদর্শনকালে উপস্থিত সাংবাদিকদের এলাকাবাসী জানায়, রাতে নদী পাড়ের পরিবারগুলো চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বিগত বছরে প্রায় রাতের ডাকাতরা ডাবল ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে এসে অস্ত্রের মুখে গরু-ছাগলসহ টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যেত। জেলা প্রশাসকের কাছে নিরাপত্তা ও নদীতে পুলিশের নৌযানে টহলের দাবী জানিয়ে বলেন তারা বর্তমানে তারা নদী ভাঙ্গন ও নৌ-ডাকাতের(জলদস্যুর) ভয়ে উভয় সংকটে রয়েছে। এ ছাড়াও সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঠিকাদার কর্তৃক সম্পাদিত নদীর তীর সংরক্ষণ কাজের গুনগত মান নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করেন।

উল্লেখ্য, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদাসীনতা ও গাফিলতির কারনে এ বছর লালগোলা এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গনে দেওয়ান বাড়ী কবরস্থান ঝুকির মধ্যে পড়ে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও জনপ্রতিনিধিরা ভাঙন রোধে ব্যবস্থা গ্রহন না করায় কবরস্থানের আংশিক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়।

 

আপডেট : শনিবার ২৩ আগষ্ট,২০১৪/ ১১:১৪ পিএম/ আশিক

 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর