রাজবাড়ীতে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন(নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে ডিসি-এসপি’র হস্তক্ষেপ কামনা

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ ,১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ ,১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : চলতি বছরের ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন(নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নে দাবীতে গতকাল ১০ই সেপ্টেম্বর রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম খান এবং পুলিশ সুপার তাপতুন নাসরীনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে নবগঠিত জেলা ঝিকঝাক(হাওয়াই) ইটভাটা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা ঝিকঝাক(হাওয়াই) ইটভাটা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ প্রথমে জেলা প্রশাসকের সাথে এবং এরপর পুলিশ সুপারের সাথে সাক্ষাত করে অনুনমোদিত ফিক্সড চিমনীর ভাটাগুলো যাতে আসন্ন মৌসুমে অবৈধভাবে ইট প্রস্তুত করতে না পারে এবং ১লা জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন(নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নে দাবী জানিয়ে স্মারকলিপি এবং জেলা ঝিকঝাক(হাওয়াই) ইটভাটা মালিক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির তালিকা তুলে প্রদান করেন।

জেলা প্রশাসক মোঃ রফিকুল ইসলাম ধৈর্য্য সহকারে ঝিকঝাক ইটভাটা মালিকদের বক্তব্য শোনেন এবং অনুনমোদিত ফিক্সড চিমনীর ইটভাটাগুলোর ব্যাপারে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন তথ্য জেনে নেন। এ ছাড়াও তিনি ঝিকঝাক ইটভাটা মালিকদের ব্যবসায়িক ক্ষতি ঠেকাতে ইটের একদর বেঁধে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহন করার পাশাপাশি আইন প্রয়োগের করার আশ্বাস দেন।

পুলিশ সুপার তাপতুন নাসরীন তাদের ইটভাটাগুলোকে সরকারী নীতিমালা ও আইন মেনে ঝিকঝাক ভাটা স্থাপন করায় তাদেরকে ধন্যবাদ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আহবান জানিয়ে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য গাড়ী-বাড়ী রেখে যাওয়ার চেয়ে পৃথিবীটাকে বসবাসের উপযোগী পরিবেশ বান্ধব করে যাওয়াই বেশী গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

এ সময় রাজবাড়ী জেলা ঝিকঝাক (হাওয়াই) ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ গোলাম মোস্তফা ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল মিয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাতের পর মোঃ কামাল মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, সরকারী নীতিমালা ও আইন মেনে তারা তাদের ইট ভাটাগুলোকে জ্বালানী হিসেবে কয়লা ব্যবহারের উপযোগী করে ঝিকঝাক (হাওয়াই) ভাটায় রূপান্তরিত করেছেন। এতে ফিক্সড চিমনীর (জ্বালানী হিসেবে খড়ি ব্যবহৃত) ইট ভাটাগুলোর চেয়ে তাদের অনেক বেশী অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়েছে এবং তাদের উৎপাদন খরচও বেশী। অপরদিকে ফিক্সড চিমনীর ভাটাগুলোর স্থাপন ব্যয় এবং উৎপাদন খরচও অনেক কম। ফলে অবৈধ ফিক্সড চিমনীর ইটভাটাগুলো আসন্ন মৌসুমে ইট প্রস্তুত করতে পারলে তারা (হাওয়াই ইটভাটা মালিকরা) নিশ্চিতভাবে ‘ব্যবসায়িক ক্ষতির’ সম্মুখীন হবেন। এ কারণে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থ রক্ষায় তারা সকল শ্রেণীর ইটভাটা মালিকদের নিয়ে গঠিত) রাজবাড়ী জেলা ইটভাটা মালিক সমিতি থেকে বের হয়ে এসে পৃথক সমিতি গঠন করেছেন। তিনি পরিবেশ ধ্বংসকারী অনুনমোদিত ইটভাটাগুলোর ব্যাপারে জেলা প্রশাসনসহ পরিবেশ অধিদপ্তরকে কঠোর অবস্থান গ্রহন, তাদের বৈধ সংগঠনটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে সরকারের ভামূর্তি রক্ষার অনুরোধ জানান।

 

 

আপডেট : বৃহস্পতিবার সেপ্টেম্বর ১১,২০১৪/ ১১:২৯ এএম/ আশিক

 

 


এই নিউজটি 1234 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments