রাজবাড়ীতে কমিউনিটি পুলিশিং-মুক্তিযোদ্ধা, সুধীবৃন্দ ও বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গের সাথে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ ,১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৩:১৫ পূর্বাহ্ণ ,১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি বীর মুক্তিযোদ্ধা এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান বিপিএম, পিপিএম বলেছেন, কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রম আরেকটু গতিশীল হলে রাজবাড়ীতে ক্রাইম বলে কিছু থাকবে না।

গতকাল ১৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে রাজবাড়ী পুলিশ লাইন্সের ড্রিলশেড মিলনায়তনে জেলা পুলিশ কর্তৃক কমিউনিটি পুলিশিং ও মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সুধীবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সাথে মতবিনিময় সভায় বিশেষ সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এ কথা বলেন।
পুলিশ সুপার তাপতুন নাসরীনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ সম্মানিত অতিথি বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী এবং সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য কামরুন নাহার চৌধুরী।

ডিআইজি এস.এম নুরুজ্জামান বলেন, রাজবাড়ীর মাটি আমার কাছে তীর্থস্থানের মতো। এখানকার মানুষগুলোও আমার কাছে এক একজন দেবতা। কাজেই ঢাকা বিভাগের ১৭টি জেলার পুলিশের কর্ণধার হলেও আমার কাছে রাজবাড়ীর বিশেষ স্থান ও মর্যাদা রয়েছে।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার তাপতুন নাসরীনকে পুলিশ বাহিনীর একজন খ্যাতিমান কর্মকর্তা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ জিনগতভাবেই পুলিশের প্রতি এন্টি অ্যাটিচিউট ধারণ করে। পুলিশ বাহিনীতে যোগদানের পূর্বে আমিও একই মনোভাব পোষণ করতাম। এর কারণ পুলিশের জন্ম স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হয়নি। প্রথমে রাজাদের জন্য, তারপর রাজপরিবারের জন্য, এরপর আমাত্যদের নিরাপত্তার জন্য, সর্বশেষ সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জোর পূর্বক খাজনা আদায় ও নির্যাতনের জন্য পুলিশ বাহিনী সৃষ্টি করা হয়। তবে সেদিনের পুলিশ আর আজকের পুলিশ এক নয়। আজকের পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ।

ডিআইজি এস.এম নুরুজ্জামান আরো বলেন, এদেশের জন্মলগ্ন থেকে আজ পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য প্রায় সকল ঘটনায়-ই পুলিশ বাহিনীর-গৌরবোজ্জল অবদান এবং অংশীদারিত্ব রয়েছে। পাক হানাদার বাহিনীর প্রথম আক্রমনও হয়েছিল এই পুলিশ বাহিনীর উপর। প্রথম শহীদও হয়েছিল পুলিশই। পুলিশ বাহিনীর দুর্ভাগ্য সৃষ্টিলগ্ন থেকেই তাদেরকে অনেক অন্যায় আদেশ, নির্দেশ-আচরণ সহ্য করতে হয়েছে। বৃটিশ আমলে শ্রদ্ধেয় গিরীশ চন্দ্র সেন একজন পুলিশ অফিসার হওয়া সত্ত্বেও তৎকালীন ডেপুটি কমিশনার, পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট ও সিভিল সার্জনের লোলুপ দৃষ্টি পড়েছিল তার সুন্দরী বোনের উপর। তাইতো পুলিশ অফিসার হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যা মামলায় গিরীজ চন্দ্র সেনকে জেলে দিয়ে তার বোনকে উল্লেখিত ৩জন মিলে ধর্ষণ করেছিল। পরবর্তীতে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে গিরীশ চন্দ্র সেন চাকুরী ছেড়ে দিয়ে বৃটিশ বিরোধী বিপ্লবীদের দলে যোগ দিয়েছিলেন।

স্মৃতি চারণ করে ডিআইজি এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান বলেন, ছোটবেলায় মামাবাড়ী আসার জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে ট্রেনে চেপে রাজবাড়ীতে আসতাম। মনে মনে ট্রেনের চালক হওয়ার স্বপ্ন দেখতাম। আজ মহান আল্লাহ’র রহমতে তার চেয়েও বড় কিছু হয়েছি। যখন রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া পুলিশ ফাঁড়ি লুট হয়, তখন আমি চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হলেও ঝিনাইদহে একটা অপারেশনে ছিলাম। তৎকালীন আইজিপি ফোন করে আমাকে বললেন, একদিনের মধ্যেই তোমাকে রাজবাড়ীতে যোগ দিতে হবে। আমি অবশ্য একদিন পর যোগদান করেছিলাম। ছোট বেলার স্মৃতিবিজড়িত রাজবাড়ীতে পোস্টিং পেয়ে ভালই লেগেছিল। আজও আমার তীর্থস্থান রাজবাড়ীতে এসে, দেবতার মতো মানুষগুলোকে সামনে পেয়ে খুব ভাল লাগছে।

২০১৩ সালের ৫ই মে ঢাকায় হেফাজতে ইসলামের তান্ডবের বিষয়টি উল্লেখ করে ডিআইজি এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান বলেন, সেদিন ওরা যদি সফল হতো তাহলে দেশটা কোথায় যেত জানিনা। সচিবালয়, ব্যাংক, বীমা সব কিছু ওরা তছনছ করে ফেলত। জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে ছাড়খার করে দিত। ওই দিন আমার অধীনস্ত পুলিশ সদস্যদের বলেছিলাম, তোমাদের কাছে অস্ত্র-গুলি দেয়া হয়েছে মানুষের জানমাল রক্ষার জন্য। এগুলো তোমরা ব্যবহার করবে। যদি মামলা-মোকদ্দমা হয়, আমি নুরুজ্জামান এক নম্বর আসামী হবো। আর যদি অস্ত্র-গুলি ব্যবহার না করো, তাহলে তোমাদেরকে আমি ছাড়ব না। যারা মহানবীকে নানাভাবে ডিস্টার্ব করেছিল, তাঁর পরবর্তী ৩খলিফাকে হত্যা করেছিল, মহানবীর বংশধর হোসেনকে নির্দয়ভাবে শিরচ্ছেদ করে হত্যা করেছিল-তারাও মুসলমান ছিল। এক লক্ষ স্বর্ণমুদ্রার লোভে হোসেনের মস্তকপাক বর্শার মাথায় গেঁথে ফোরাত নদীর পাশ দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় আজান হলে বর্শাটি মাটিতে গেঁথে রেখে জামাতে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়েছিল। তারা যেমন মুসলমান ছিল না, ছিল কাফের-তেমনি সেদিন যারা সচিবায়লয়, ব্যাংক-বীমা দখল করে সবকিছু ছাড়খার করে দিতে চেয়েছিল তারাও মুসলমান ছিল না। ছিল বিপথগামী, কাফেরদের সমতূল্য।

ডিআইজি এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান আরো বলেন, অনেক হিন্দু ভাই-বোনেরা আছে যারা হিন্দু অফিসার পেলে খুশী হয়। আবার জামাত মনোভাবের অনেক মানুষ আছে যারা ধর্মভীরু পুলিশ অফিসার পেলে খুশী হয়-নিজেদের লোক মনে করে। তেমনি তাপতুন নাসরীন রাজবাড়ীর এসপি হয়ে আসায় এখানকার মা-বোনদের অনেকেই মনেমনে উল্লসিত হয়েছেন। মেয়ে মানুষ হয়ে এসপি যদি অর্ধেকটা করে, কথা দিচ্ছি বাকী অর্ধেক আমি কাভার করবো।
এ ছাড়াও দীর্ঘ বক্তব্যে ডিআইজি এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান তার মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের বর্ণনা দেয়ার পাশাপাশি বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে পবিত্র কোরআনের একাধিক সুরা তিলাওয়াত করে শোনান এবং একসাথে সবাইকে নিয়ে মোনাজাতের মাধ্যমে বক্তব্য শেষ করেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তোফায়েল আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের কমান্ডার মোহাম্মদ আলী মন্ডল, জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহবায়ক মোঃ আবুল হোসেন, সদস্য সচিব আহমেদ নিজাম মন্টু, গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম নুরুল ইসলাম মিয়া, রাজবাড়ী পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী, রাজবাড়ী জজ কোর্টের পিপি এডঃ উজির আলী শেখ, রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি খান মোঃ জহুরুল হক, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অশোক কুমার বাগচী, রাজবাড়ী পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম মঞ্জুরুল আলম দুলাল, জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুর রশীদ, মহিলা আওয়ামীলীগ নেত্রী এডঃ সুফিয়া খান রেখা, জেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সদস্য মীর মাহফুজা খাতুন মলি, বালিয়াকান্দি উপজেলা পরিষদের প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান আকমল হোসেন, সদর উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের আহবায়ক এস.এম নওয়াব আলী, পাংশা উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি প্রফেসর আঃ ওহাব, বালিয়াকান্দি উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সভাপতি আঃ হান্নান মাস্টার ও কালুখালী উপজেলা কমিউনিটি পুলিশিংয়ের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাদশা প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বিশেষ সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আলহাজ্ব কাজী কেরামত আলী বলেন, রাজবাড়ীতে পুলিশের সোর্স হিসেবে যাদেরকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে তারা ভাল লোক না। মাদকদ্রব্য ধরা পড়লে তার একটা অংশ সোর্সদের দিয়ে দেয়া হয়, সেগুলো আবার বিক্রি হয়। বেশ কিছু হত্যা মামলা আছে, যেগুলো ৪/৫বছর হয়ে গেলেও চার্জশীট দেয়া হচ্ছে না। সে কারণে মামলাগুলোতে হয়রানী করার জন্য যাদের নাম ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিল তারা নিস্কৃতি পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, রাজবাড়ী পৌর এলাকায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনাগুলো বেড়ে গেছে। জেলা আওয়ামীলীগের ট্রেজারার আজগর ভাইয়ের জামাতার মোটর সাইকেল চুরি হওয়ার পর তিনি এসপি এবং ওসি সাহেবের কাছে নাম দেয়ার পরও তারা গ্রেফতার হয়নি। হাইওয়ে পুলিশ যানবাহন চেকিংয়ের নামে হয়রানী করছে। আমার এক ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ৪টি ভারতীয় শাড়ী নিয়ে আসার সময় তার কাছ থেকে ৪হাজার টাকা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন পুলিশ আরেকটু বেশী ভূমিকা রাখলে আমরা আরো বেশী শান্তিতে থাকতে পারব। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গত ঈদে দৌলতদিয়া ঘাটে কোন যানজট হয়নি, আশা করছি এবারও হবে না।

সংরক্ষিত মহিলা সংসদ সদস্য কামরুন নাহার চৌধুরী লাভলী বলেন, মাদকের সমস্যাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় সমস্যা। আমার কাছে যারা সমস্যা নিয়ে আসেন, তাদের বেশীর ভাগ সমস্যাই মাদককেন্দ্রিক। এ জন্য মাদকের ব্যাপারেই সবচেয়ে বেশী গুরুত্ব দেয়া দরকার।

রাজবাড়ী প্রেসক্লাবের সভাপতি খান মোঃ জহুরুল হক ও পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র মহম্মদ আলী চৌধুরী বলেন, সাম্প্রতিককালে গোয়ালন্দ ঘাট থানা এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। মাঝে-মধ্যেই সেখানে খুন-খারাবীর মতো ঘটনা ঘটছে।

গোয়ালন্দ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবিএম নুরুল ইসলাম বলেন, দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীতে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা ঢুকে খুন-খারাবী করে চলে যাচ্ছে। এ জন্য তিনি দৌলতদিয়া পতিতাপল্লীর চারপাশে বাউন্ডারী ওয়াল অথবা কাঁটাতারের বেড়া দেয়ার দাবী জানান।

জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোহাম্মদ আলী মন্ডল বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্পর্কে সকল বক্তারাই ভালভাল কথা বলেন। বাস্তবে কেউ মূল্যায়ন করতে চায় না। গত দু’দিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অফিস ও সদর থানায় গিয়ে কোন সম্মান পাইনি।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার তাপতুন নাসরীন বলেন, ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক আজ বসন্ত। ব্যানারে নাম থাকুক আর নাই থাকুক আমরা সবাইকে নিয়ে কাজ করবো। পুলিশের কাছে জনসাধারণ যা চায় আমরা তাই করবো। মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের অহংকার। তাদের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়েই কাজ করবো।

তিনি বলেন, পেইড সোর্স পুলিশী মেকানিজমের অংশ। আমরা আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে কাজ করবো। গোয়ালন্দের সমস্যা একদিনে সমাধান হবে না, তবে কমিয়ে আনা হবে। তিনি ডিআইজির নির্দেশনার আলোকে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার আশ্বাস দেন। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সবাইকে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পরে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে জেলা শিল্পকলা একাডেমীর শিশু শিল্পীরা পারফর্ম করে।

SAM_9345

রাজবাড়ী থানা পরিদর্শন ঃ এরআগে ডিআইজি এস.এম মাহফুজুল হক নুরুজ্জামান বেলা ১২টার দিকে রাজবাড়ী সদর থানায় উপস্থিত হলে থানা পুলিশের একটি চৌকষ দল তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ তোফায়েল আহমেদ, সহকারী পুলিশ সুপার(সার্কেল) কাজী আহসান হাবীব ও থানার ওসি মোঃ শহীদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। গার্ড অব অনারের পর তিনি থানা পুলিশের সদস্যদের সাথে পরিচিত হন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে থানা পরিদর্শন করেন। সদর থানা পরিদর্শনের পর তিনি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলার পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা, থানার ওসি এবং ইন্সপেক্টদের সাথে মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। রাতে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রাজবাড়ী ত্যাগ করেন।


এই নিউজটি 1310 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments