দৌলতদিয়ায় আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুরের অভিযোগে গোয়ালন্দ থানায় বিএনপির ২৬জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা : ৫জন গ্রেপ্তার

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ ,১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৩:২৩ পূর্বাহ্ণ ,১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ কার্যালয় ভাংচুরের অভিযোগে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর দিনগত রাতে স্থানীয় ইউনিয়ন আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল জব্বার মোল্লা বাদী হয়ে বিএনপির ২৬জন নেতাকর্মীসহ অজ্ঞাত আরো ২৫/৩০জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছে। এ মামলায় পুলিশ ৫জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়ালন্দ ঘাট থানার এস.আই কামাল হোসেন ভূইয়া জানান, আ’লীগ অফিস ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ গত রবিবার ও সোমবার জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও গোয়ালন্দ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুলতানুর ইসলাম মুন্নু মোল্লা(৫০), দৌলতদিয়া শাহাদত মেম্বার পাড়ার বাসিন্দা ও স্থানীয় বিএনপি নেতা করিম পালের ছেলে শহিদ পাল(৩৫), তারেক আলী সরদারের ছেলে জাহাঙ্গীর সরদার(৩০), রফিকুল ইসলামের ছেলে রাসেল বেপারীকে(২৪) ও আইনদ্দিন প্রামানিক পাড়ার রোকন প্রামানিক (৩০)কে মোট ৫জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মামলার অপর আসামীরা হলো ঃ স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আব্দুল হালিম ফকির(৩৮), আইয়ুব খান(৪৫), ইয়াহিয়া খান(৩২), ফরিদ খান(২৫), মোঃ রাসেল বেপারী(২৪), জাহিদ ওরফে আমবাবু(৩০), বাহা সরদার(৪০), মজনু(৪০) ও দৈনিক ভোরের পাতা প্রতিনিধি বিএনপি সমর্থক সাংবাদিক আবুল মোল্লা(৪০), রেজাউল(২৫), হোসেন(২৫), ফরিদ(৩৫), ফজল(২৫), গাফফার খা(৩৫), সোহাগ(৩৫), সাইদ(৩৫), আক্কাস সরদার(৪৫), সামছু মাতুব্বার(৩৫), রতন(২৫), জাহাঙ্গীর সরদার, আবুল কালাম শেখ(৪৫), ইসমাইল মন্ডল(৩৫), আফছার(২৮) ও বাচ্ছু খা (৪২)সহ অজ্ঞাত পরিচয় ২৫/৩০জন।

সাংবাদিক আবুল হোসেনকে মামলার আসামীর শ্রেণীভূক্ত করার প্রতিবাদ জানিয়ে গোয়ালন্দ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আসজাদ হোসেন বলেন, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে আবুল মোল্লাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। কারণ কয়েকদিন আগে তার এক পুত্র সন্তান মারা গেছে। অপর সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি ঢাকায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

উল্লেখ্য,গত রবিবার বেলা এগারটায় ঢাকার সাউথ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র সাইফুল ইসলাম ওরফে রিপন হত্যার প্রতিবাদে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচী পালন করছিল স্থানীয় ব্যবসায়ী, বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও নিহতের স্বজনেরা। বিক্ষোভকালে মিছিলের একটি অংশ স্থানীয় ইউনিয়ন আ’লীগ কার্যালয়ে প্রবেশ করে ভাংচুর চালায় বলে অভিযোগ করা হয়। এ সময় বিক্ষুদ্ধরা কার্যালয়ের টেলিভিশন, টেবিল ও বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাংচুর করে বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

 

আপডেট : মঙ্গলবার সেপ্টেম্বর ১৬,২০১৪/ ০৯:২২ এএম/ আশিক

 

 


এই নিউজটি 1274 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments