রাজবাড়ী থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তারকৃত বেকায়দা মানিক ও মুন্নার রিমান্ড শুনানী আজ

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ ,২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৪:০৪ পূর্বাহ্ণ ,২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী থানা পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতারকৃত নূরপুরের সন্ত্রাসী মানিক মোল্লা ওরফে বেকায়দা মানিক(২২) এবং ধুঞ্চি ২৮ কলোনীর ইয়াবা বিক্রেতা মুন্না মাহমুদ(২২)কে গতকাল ২১ সেপ্টেম্বর সুলতানপুরের সংখ্যালঘু জেলে শম্ভু মালো হত্যা মামলায় (রাজবাড়ী থানার মামলা নং-২২, তাং-১৯/৫/২০১৪ইং, ধারাঃ ৩০২/৩৪ দঃ বিঃ) আদালতে সোপর্দ করে করে ৭দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে।

আদালতে সোপর্দকৃত মানিক ও মুন্নাকে রাজবাড়ী বাজারের নির্মাণাধীন হাজী সিরাজ খান টাওয়ারে চাঁদাবাজীর মামলারও (রাজবাড়ী থানার মামলা নং-২৭, তাং-২২/৭/১৪ ইং, ধারাঃ১৪৩/৩৮৪/৩৮৫/৫০৬-২ দঃ বিঃ) গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বিজ্ঞ আদালত তাদেরকে জেলা কারাগারে প্রেরণের আদেশ প্রদানের পাশাপাশি আজ ২২ সেপ্টেম্বর রিমান্ডের আবেদন শুনানীর জন্য দিন ধার্য্য করেছেন।

শম্ভু মালো হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা খানখানাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস.আই রঞ্জন কুমার জানান, ধৃতদের উক্ত হত্যা মামলার পাশাপাশি গত ১৫ সেপ্টেম্বর আলোচিত গণধর্ষনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের নেয়ার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।

অপরদিকে হাজী সিরাজ খান টাওয়ারে চাঁদাবাজী মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজবাড়ী থানার এস.আই এনছের আলী জানান, গ্রেফতারকৃত মানিক এ মামলার এজাহারনামীয় এবং মুন্না সন্দেহভাজন আসামী। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা এ চাঁদাবাজী মামলার পাশাপাশি কলেজ ছাত্রী গণধর্ষণ মামলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রেমিকের সঙ্গে গত ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে ঘুরতে যাওয়া এক কলেজ ছাত্রী স্থানীয় ৮/১০জন বখাটে বিনোদপুরে(নূরপুর) আক্কাস মিয়ার পুরাতন ইটভাটা এলাকার নির্জন একটি ঘরে গণধর্ষণের শিকার হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ ও প্রেমিককে ভয় দেখিয়ে করে তাড়িয়ে দেয় ধর্ষক চক্র। ওই ঘটনায় ব্যাপক তোলপাড় সৃস্টি হলেও ধর্ষকদের বিরুদ্ধে গত ৭দিনেও রাজবাড়ী থানায় কোন মামলা হয়নি। ঘটনার পর থেকে ধর্ষকদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ পেলেও ঘটনার শিকার নির্যাতিত ওই কলেজ ছাত্রী লোকলজ্জার কারনে আত্মগোপনে থাকায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহন কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে বলে পুলিশ সুত্রে জানাগেছে।

সুত্র জানায়, গণধর্ষনের সেই নির্জন ঘরটি সীল করে দেওয়া হয়েছে। ঘরের মধ্যে ধর্ষনের আলামত ও রয়েছে। আত্মগোপনে থাকা ভিকটিমকে উদ্ধারের জন্য পুলিশের জোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে ঘটনায় অভিযুক্তরা রেহাই পেতে নানামুখী তদবীর শুরু করেছে। তবে ধর্ষক চক্র কোনভাবেই রক্ষা পাবে না বলে পুলিশ সুত্র জানিয়েছে।
 

আপডেট : সোমবার সেপ্টেম্বর ২২,২০১৪/ ১০:০১ এএম/ আশিক

 


এই নিউজটি 1229 বার পড়া হয়েছে
[fbcomments"]