জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৪ : রাজবাড়ী জেলা পর্যায়ে দাউদ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক গোলাপজান শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা হাসান শ্রেষ্ঠ এসএমসি নির্বাচিত

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৫:১১ অপরাহ্ণ ,২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪ | আপডেট: ৫:১১ অপরাহ্ণ ,২৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
পিকচার

মোক্তার হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৪ রাজবাড়ী জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় পাংশা উপজেলার কলিমহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু দাউদ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, মাগুড়াডাঙ্গী কাজী আব্দুল মাজেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোলাপজান নেছা শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ও পাংশা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মোঃ হাসান আলী শ্রেষ্ঠ এসএমসি নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া পাংশা উপজেলা পর্যায়ে শাহ মোঃ রাশিদুল ইসলাম (তপন) শ্রেষ্ঠ বিদ্যোৎসাহী সমাজকর্মী, অগ্রদূত চক্রবর্তী শ্রেষ্ঠ কাবশিক্ষক, উপজেলা শিক্ষা অফিসের আকবর আলী প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনে শ্রেষ্ঠ কর্মচারী এবং অঞ্জলী রাণী শ্রেষ্ঠ সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ তাদেরকে সম্মাননা পদক ও সনদ প্রদান করা হয়েছে।

পাংশা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা কমিটি সভাপতি মুন্সী নাদের হোসেন এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ বছির উদ্দিন জানান, পাংশা উপজেলাতে মোট ১১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬টি অনুমোদিত ও ৩টি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। বিদ্যালয়ে শতভাগ ভর্তি, শতভাগ পাস, শিক্ষকদের নিয়মিত পাঠদান, লেখাপড়ার পাশাপশি শিক্ষার্থীদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা সর্বোপরি শিক্ষার মনোন্নয়নে গুরুত্বের সাথে মনিটরিং করা হয়। যার কারণে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৪ তে জেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় পাংশার তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে কলিমহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আবু দাউদ শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, মাগুড়াডাঙ্গী কাজী আব্দুল মাজেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা গোলাপজান নেছা শ্রেষ্ঠ শিক্ষিকা ও পাংশা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মোঃ হাসান আলী শ্রেষ্ঠ এসএমসি নির্বাচিত হয়ে পাংশার গৌরব বয়ে এনেছেন। শিক্ষার মানোন্নয়নে এদের বিশেষ অবদান রয়েছে। এর আগেও তারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্মাননা অর্জন করেছেন।

 

আপডেট : শনিবার সেপ্টেম্বর ২৭,২০১৪/ ১১:০৮ পিএম/ আশিক

 


এই নিউজটি 1255 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments