আহলাদীপুরে এনজিও এসডিসি’র আয়োজনে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ ধানের মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ ,১৬ অক্টোবর, ২০১৪ | আপডেট: ১২:০০ অপরাহ্ণ ,১৬ অক্টোবর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : রাজবাড়ী সদর উপজেলার শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদীপুর গ্রামে গতকাল ১৫ অক্টোবর বিকেলে বেসরকারী এনজিও সোসাইটি ভেভেলপমেন্ট কমিটি (এসডিসি) এর আয়োজনে জিংক সমৃদ্ধ ব্রি-৬২ ধানের প্রদর্শনী উপলক্ষে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

হারবেষ্ট প্লাস এর সহযোগিতায় মাঠ দিবসে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রকিব উদ্দিন, ভাঙ্গা উপজেলা ধান গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ মহিউদ্দিন ও মোঃ আসাদুজ্জামান।

এসডিসি’র নির্বাহী পরিচালক কাজী আশরাফুল হাসানের সভাপতিত্বে মাঠ দিবসে আরো বক্তব্য রাখেন, এসডিসি’র আঞ্চলিক কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান, শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাছির উদ্দিন তালুকদার, আদর্শ কৃষক নুর ইসলাম ও মোঃ বেলাল শেখ।

সিসা বিডি’র কো-অডিনেটর হাবিবুর রহমান খানের উপস্থাপনায় মাঠ দিবসে এসডিসি’র আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মোঃ শহিদুল ইসলাম, শাখা ব্যবস্থাপক আঃ রবসহ স্থানীয় কৃষক-কৃষানী ও প্রিন্ট এবং ইলেক্টনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। মাঠ দিবসটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন এসডিসি’র কর্মকর্তা আবুল বাশার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কাজী আব্দুল মান্নান বলেন, ব্রি-৬২ একটি জিংক সমৃদ্ধ ধান। ১০০ দিনে এর ফলন হয়। বিভিন্ন উন্নত জাতের ধান রয়েছে। অন্য ধানের চেয়ে ব্রি-৬২ ধানের ফলন একটু কম হলেও এর আলাদা গুণ রয়েছে। আমাদের দায়িত্ব সকল উন্নত জাতের ধানের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দেয়া। সিদ্ধান্ত নেয়ার দায়িত্ব আপনার। এ ধানটিতে জিংক রয়েছে বলে আপনারা সবই খেয়ে ফেলবেন না। বীচের জন্য রেখে দেবেন। সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিবেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ রকিব উদ্দিন বলেন, শিশুদের যদি পাতলা পায়খানা হয় তাহলে তাকে জিংক জাতীয় ওষুধ খাওয়ানো হয়। ব্রি-৬২ ধানে জিংক সমৃদ্ধ আছে। প্রতি কেজিতে ১৯% জিংক ও ৯% আমিষ আছে। কাজেই এই ব্রি-৬২ ধান মানুষের শরীরে ওষুধের কাজ করবে। এছাড়াও এই ধান ১০০ দিনের মধ্যে ফলন হবে। ধান কাটার পর ওই জমিতে আপনারা অন্য ২টি শস্য ফলাতে পারবেন। সবদিক দিয়ে আপনারা লাভবান হতে পারবেন।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ মহিউদ্দিন বলেন, দেশ স্বাধীনের সময় বাংলাদেশের লোক সংখ্যা ছিল সাড়ে ৭ কোটি। এখন বাংলাদেশের লোক সংখ্যা সাড়ে ১৬ কোটি। আমাদের দেশে দিন দিন জনসংখ্যা বাড়ছে। অপর দিকে ফসলী জমি কমছে। এরপরও এখন আর বাংলাদেশের মানুষকে না খেয়ে মরতে হয়না। কারণ নতুন নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে এদেশের কৃষকরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশী ফলন উৎপাদন করছে। ব্রি-৬২ ধান কৃষকের জন্যই আবিস্কার। দেশের সকল মানুষের জন্য আবিস্কার।

 

 

আপডেট : বৃহস্পতবিার অক্টোবর ১৬,২০১৪/ ০৫:৫৪ পিএম/ আশিক

 

 


এই নিউজটি 1109 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments