গোয়ালন্দের ইলেক্ট্রিক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কোর্টে চাঁদাবাজী মামলা

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ ,২১ অক্টোবর, ২০১৪ | আপডেট: ৩:০৯ পূর্বাহ্ণ ,২১ অক্টোবর, ২০১৪
পিকচার

স্টাফ রিপোর্টার : গোয়ালন্দ বাজারের এম.এম ইলেক্ট্রিকের মালিক জিল্লুর রহমান মিঠু ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে গতকাল ২০ অক্টোবর রাজবাড়ীর ২নং আমলী আদালতে চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেছেন দৌলতদিয়ায় অবস্থিত হেডরন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের প্রডাকশন ম্যানেজার (পিএম) মোঃ নুরুল ইসলাম।

বিজ্ঞ আদালত মামলার বিষয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসিকে ‘ব্যবস্থা গ্রহনের’ নির্দেশ দিয়েছেন।

গতকাল সোমবার হেডরন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের প্রডাকশন ম্যানেজার(পিএম) মোঃ নুরুল ইসলামের দায়েরকৃত মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, জিল্লুর রহমান মিঠু ও তার সহযোগিরা বেশ কিছুদিন ধরে নুরুল ইসলামের কাছে ১লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল। নুরুল ইসলাম চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তারা ক্ষুদ্ধ হয় এবং গালিগালাজ করতে থাকে। গত ১৮ অক্টোবর বিকেল ৪টার দিকে জিল্লুর রহমান মিঠু ও তার ৩/৪জন সহযোগী হেডরন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের অফিসে চড়াও হয়ে নুরুল ইসলামের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র তাক করে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। নুরুল ইসলাম অস্বীকার করার সাথে সাথে মিঠু ও তার সহযোগিরা তাকে এলোপাতারীভাবে কিল-ঘুষি-লাথি দেয় এবং জোর করে অফিসের টেবিলের ড্রয়ার ভেঙ্গে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় নুরুল ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল ২০ অক্টোবর রাজবাড়ীর ২নং আমলী আদালতে দন্ড বিধির ৪৪৭/৩২৩/৩৮৬/৩৮৭/৫০৬(২) ধারায় মামলা দায়ের করলে বিজ্ঞ বিচারক ‘মামলার বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য’ গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসিকে আদেশ দেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ইলেক্ট্রটিক ব্যবসায়ী জিল্লুর রহমান মিঠু বলেন, তিনি হেডরন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজে কাজ করেছিলেন। সেই বাবদে কোম্পানীর কাছে তার প্রায় ১লক্ষ টাকা পাওনা রয়েছে। তার মধ্যে ৭০হাজার টাকা ওয়্যারিং বাবদে এবং প্রায় ৩০হাজার টাকা সরবরাহকৃত ইলেক্ট্রিক মালামালের বাবদে। হেডরন কেমিক্যালের এমডি মেহেদী হাসান পাওনা টাকা দিতে গড়িমসি করা শুরু করলে তিনি টাকা আদায়ে উদ্যোগী হন। তখন মেহেদী হাসানের পিতা নজির উদ্দিন আহম্মেদ নিজে টাকা পরিশোধের দায়িত্ব নেন কিন্তু পরবর্তীতে তিনিও কয়েকটি ডেট দেয়া সত্ত্বেও টাকা দিতে নানা তালবাহানা করা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনিও তার ছেলের মতো আমার পাওনা টাকা না দেয়ার পাঁয়তারা শুরু করেন এবং আমাকে টাকার দাবী থেকে সরে যাওয়ার জন্য হয়রানীমূলকভাবে প্রথমে তিনি নিজে বাদী হয়ে এবং পরবর্তীতে ছেলে মেহেদী হাসানের কোম্পানীর কর্মচারীকে দিয়ে ২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করান। জিল্লুর রহমান মিঠু দৃঢ়ভাবে টাকা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে অচিরেই আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।

জিল্লুর রহমান মিঠুর আইনজীবী শ.ম নাজিরুল ইসলাম বলেন, প্রয়োজনে পাওনা টাকা আদায়ের জন্য ‘সিভিল কোর্টে’ এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করার ব্যাপারে উপযুক্ত আদালতে ‘যথাযথ আইনানুগ’ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আপডেট : মঙ্গলবার অক্টোবর ২১,২০১৪/ ‌০৯:০৮ এএম/ আশিক

 


এই নিউজটি 1059 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments