ব্যারিস্টার সায়েম মুক্ত : লন্ডনের আওয়ামী হলুদ সাংবাদিকতার মুখে চুনকালি

|রাজবাড়ী নিউজ24

প্রকাশিত: ৫:৫১ অপরাহ্ণ ,২২ অক্টোবর, ২০১৪ | আপডেট: ৫:৫২ অপরাহ্ণ ,২২ অক্টোবর, ২০১৪
পিকচার

রাজবাড়ী নিউজ২৪.কম : যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার এম এ সায়েমকে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে নিয়েছিল ইউকে বর্ডার এজেন্সি। এটাকে ইউকের সাধারণ ভাষায় আটকও বলা যায়। মঙ্গলবার দুপুরে এন্টারপ্রেইনার ভিসা সংক্রান্ত কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে তাকে ডেকে নেয়া হয়েছিল। এ ক্ষমতা প্রয়োগকে ব্রিটিশ হোম অফিস বা বৃটিশ পুলিশের বাংলাদেশ পুলিশের ৫৪ ধারার সাথে তুলনা করা চলে।

ব্যারিস্টার সায়েম দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলাদেশী অধ্যুষিত পুর্ব লন্ডনে উজমা ল ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠিত আইনী সহায়তা কেন্দ্র পরিচালনা করে আসছেন। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই ফার্মের মাধ্যমে মূলত অ্যাসাইলেম, এন্টারপ্রেইনার ও স্টুডেন্ট ভিসার আইনী সহায়তা ও ডকুমেন্ট ব্রিটিশ হোম অফিসে প্রেরণের সহায়তা করা হতো। জনৈক এন্টারপ্রেইনার ভিসার একটি ডকুমেন্টের বিষয়ে চ্যালেঞ্জ করে ব্রিটিশ হোম অফিসের নজরে আনা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য উজমা ল ফার্মের সায়েমসহ ৩ জনকে তাদের অফিসে নিয়ে আসে ইউকে বর্ডার এজেন্সি’র কর্মকর্তারা। এরমধ্যে একজন একাউনটেন্ট ও অন্য দু’জন সলিসিটর ছিলেন বলে জানা গেছে। জিজ্ঞাসাবাদের কয়েক ঘন্টা পর তাদেরকে বিনাশর্তে ছেড়ে দেয়া হয়।

এর আগেও লন্ডনে বিএনপি সংক্রান্ত সামন্য ঘটনাকে তিলকে তাল করার নজির রয়েছে সেখানকার আওয়ামী সমর্থিত সাংবাদিক নামধারীদের। যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার সায়েমকে এ জিজ্ঞাসাবাদের ঘটনাকে ভিন্নদিকে মোড় দিতে তাৎক্ষণিকভাবে উঠেপড়ে লাগে যুক্তরাজ্যের আওয়ামী পন্থী সাংবাদিকরা। যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশী মিডিয়ার অধিকাংশ প্রতিনিধি আওয়ামী ঘরনার হওয়ার কারণে ঘটনাটিকে তাদের হলুদ সাংবাদিকতার ছোঁয়া দিয়ে বিভিন্নভাবে প্রচার করেছে।

এ অপপ্রচারের ঘটনায় লন্ডন ও বাংলাদেশে নানা মুখরোচক আলোচনার জন্ম দিলেও প্রকৃত অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এটি তার ব্যক্তিগত পেশাদারি জটিলতা। যার সঙ্গে বিএনপির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এ ধরনের ঘটনা ইমিগ্রেশন ল ফার্মগুলোতে মাঝেমধ্যে ঘটে থাকে।

উল্লেখ্য, বৃটিশ ইমিগ্রেশন আইনে যেকোনো সময় কাগজপত্রসহ তলব অথবা সশরীরে ল ফার্মে উপস্থিত হয়ে ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট আবেদনের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ইউকে বর্ডার এজেন্সি সংরক্ষণ করে।
(সূত্র- দিনকাল অনলাইন)

 

 

আপডেট : বুধবার অক্টোবর ২২,২০১৪/ ‌১১:৪৫ পিএম/ আশিক

 

 


এই নিউজটি 1209 বার পড়া হয়েছে

Comments

comments

More News from রাজনীতি