,

সর্বশেষ :
গোয়ালন্দ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে লাঙ্গল নিয়ে লড়ছেন সাংবাদিক হেলাল রপ্তানি খাতে একধাপ এগিয়ে যাবার লক্ষে ‘ডিভিশন প্রাইম গ্রীন’ এর যাত্রা শুরু রাজবাড়ী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী পলাশের মনোনয়ন পত্র দাখিল, সাংবাদিক সম্মেলন ‘হারিয়ে গেছে বাবা নামক বটগাছ’ রাজবাড়ীর লাভলু হত্যা মামলার তদন্তভার পিবিআই’কে দেয়ার আবেদন পরিবারের মহান বিজয় দিবসে অ্যাড. এম.এ খালেক স্মৃতি পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন রাজবাড়ী পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচনী গণসংযোগে প্রয়াত বিএনপি নেতা অ্যাড. খালেকের পুত্র পাভেল বঙ্গবন্ধু মানব কল্যাণ পরিষদ রাজবাড়ী জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন পাংশায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে বিয়ে, পরে অস্বীকার রাজবাড়ীতে এইচএসসি’তে ফরম পূরণ করতে না পারা শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

পাংশায় প্রেমের ফাঁদে ফেলে ফুপাতো ভাইয়ের স্ত্রীকে বিয়ে, পরে অস্বীকার

News

প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপন প্রবাসী ফুপাতো ভাইয়ের সুন্দরী স্ত্রীকে ভাগিয়ে নিয়ে বিয়ে ও পরবর্তীতে অস্বীকার করায় মেহেদী হাসান রুবেল (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

গত ১৬নভেম্বর রাজবাড়ীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালে এ মামলাটি দায়ের করেন প্রতারণার শিকার ওই গৃহবধূ (২৩)। মামলায় রুবেলের বাবা প্রাইমারী শিক্ষক ওয়াজেদ আলী মন্ডল (৫৫) কেও আসামী করা হয়। তাদের বাড়ী রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের বরুরিয়া গ্রামে।

ওই গৃহবধূ জানায়, তার স্বামী শাহিনুর রহমান ও মেহেদী হাসান রুবেল আপন মামাতো ফুপাতো ভাই। শাহিনুর সৌদি আরবে কর্মরত থাকায় রুবেল নানা প্রলোভনে তার সাথে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এ সম্পর্কের জের ধরে রুবেল বিভিন্ন সময় তাকে নানা স্থানে বেড়াতে নিয়ে যেতো। তিন বছর ধরে রুবেলের সাথে তার প্রেমের ও দৈহিক সর্ম্পক ছিল। এই তিন বছরে রুবেল তার কাছ থেকে প্রায় ৫লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। তাদের এ সম্পর্ক এক পর্যায়ে জানাজানি হয়ে যায়। পরে রুবেল তাকে বিয়ে করবে বলে আগের স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে। গত ৩ জানুয়ারী কুষ্টিয়ার খোকসা পৌরসভার নিকাহ রেজিষ্ট্রারের মাধ্যমে সে তার প্রথম স্বামী রুবেলের আপন ফুপাতো ভাই শাহিনুর রহমানকে তালাক দেন। প্রথম স্বামীকে তালাক দেয়ার পর সে তার বাবার বাড়ীতেই থাকতেন। সেখানেও যাওয়া আসা করতো রুবেল। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর রুবেল তাকে বাবার বাড়ী থেকে মোবাইলে ডেকে নিয়ে কুষ্টিয়া জেলার খোকসা উপজেলার জানিপুর ইউনিয়ন পরিষদের নিকাহ রেজিষ্ট্রারের মাধ্যমে ১০লক্ষ টাকা দেন মোহরে বিয়ে করে। কিন্তু রুবেলের পরিবার বিয়েটি মেনে নেয়নি। বিয়ের কয়েকদিন পর রুবেল ঢাকায় চলে যায়। কিছুদিন পর ঢাকা থেকে এসে তাকে ফরিদপুরে নিয়ে যায়। ফরিদপুরে তারা একটি ভাড়া বাসায় বসবাস শুরু করেন। কিন্তু রুবেল কোন কাজ কর্ম করতো না। এক পর্যায়ে সে তার কাছে থাকা দামী মোবাইল ফোন বিক্রি করে রুবেলকে দেন। ওই টাকা খরচ হয়ে গেলে রুবেল তাকে মারপিট করতো। তাকে না খেয়ে রাখতো। এভাবে কিছুদিন চলার পর সে অসুস্থ হয়ে যায়। পরে মোবাইলে বাবার কাছে কান্নাকাটি করলে তার বাবা তাকে ফরিদপুর থেকে বাড়ীতে নিয়ে আসেন। এরপর থেকে সে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ইউনিয়নের লক্ষণদিয়া গ্রামে বাবার বাড়ীতেই আছেন।

ওই গৃহবধূ আরো জানায়, এ ঘটনার পর থেকে রুবেল তার সাথে কোন যোগাযোগ রাখেনি। অন্যদিকে রুবেলের পরিবারের লোকজন তার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যাচার করছে। এমন পরিস্থিতি সে একদম অসহায় হয়ে পড়েছেন। কারণ রুবেলের কথাতেই সে তার প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়েছিলেন। এখন রুবেল তাকে বিয়ে করে সে ও তার পরিবার তার সাথে ছলনা করছে।

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর