,

রাজবাড়ী পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী পলাশের মনোনয়ন পত্র দাখিল, সাংবাদিক সম্মেলন

News

রাজবাড়ী পৌরসভার আসন্ন নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ রোববার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সারোয়ার আহমেদ সালেহীনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন পত্র দাখিল করেন। 

এ সময় তার বড় ভাই মোঃ রুহুল পারভেজসহ অন্যান্যরা তার সাথে ছিলেন। পরে বিকেলে তিনি রাজবাড়ী বাজারের সোনালী ব্যাংক মোড়স্থ বড় ভাই মোঃ রুহুল পারভেজের ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করেন। 

সেখানে কাউন্সিলর প্রার্থী মাহবুবুর রহমান পলাশ সাংবাদিকদের বলেন, আমার প্রয়াত মায়ের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী এবার কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছি। গত বার সামান্য ভোটের ব্যবধানে বর্তমান কাউন্সিলের কাছে হেরে গেলেও ওই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু ছিল না। আমি মনে করি, যারা কাউন্সিলর পদটিকে রুটি-রুজির ও নিজের আখের গোছানোর মাধ্যম হিসেবে নেয়, চুরি-অনিয়মের দায়ে জেল খাটে তাদের কাউন্সিলর হওয়া উচিত না। আমি রাজবাড়ীর ব্লাড ব্যাংকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এ পর্যন্ত বিনামূল্যে সাড়ে ৫সহস্রাধিক ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। কোয়ান্টাম মেথডের আজীবন সদস্য হিসেবে বিশ্বের ১০৪টি দেশের সাথে কাজ করছি। সাধারণ মানুষকে বিনামূল্যে অ্যাম্বুলেন্স সেবা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। নির্বাচিত হতে পারলে প্রতি বছর জবাবদিহিতা করবো এবং পৌরসভার যাবতীয় বরাদ্দ ওয়ার্ডের মোড়ে মোড়ে ফেস্টুন আকারে টানিয়ে দিব। ৮নং ওয়ার্ডে যে বস্তি রয়েছে তা থাকবে না। ৮নং ওয়ার্ডকে সারা দেশের মধ্যে অন্যতম একটি মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলবো। এছাড়াও তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনের পরীক্ষিত ত্যাগী একজন কর্মী হিসেবে দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সব শ্রেণী-পেশার মানুষের সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।    

মাহবুবুর রহমান পলাশের বড় ভাই পারলীন গ্রুপের অংশীদার মোঃ রুহুল পারভেজ বলেন, মায়ের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী পলাশকে কাউন্সিলর প্রার্থী হওয়ার মনোনয়ন দিয়েছি। মা চেয়েছেন পলাশ যেন কাউন্সিলর হয়ে সবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে পারে একজন কাউন্সিলরের কেমন হওয়া উচিত। ওয়ার্ডের মধ্যে যতগুলো এতিমখানা, মাদ্রাসা ও মসজিদ রয়েছে সেগুলোর প্রতিটিতে মাসিক হিসেবে আমরা অনুদান দেই। ও যদি কাউন্সিলর হতে পারে তাহলে পৌরসভা থেকে কি বরাদ্দ পেল বা না পেল সেটা বড় কথা নয়-আমরা প্রতি বছর যে টাকা জাকাত দেই সেই টাকাটা ওর মাধ্যমে দিয়ে ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের কল্যাণে ব্যয় করাবো। গতবারের মতো এবারও নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপি নিয়ে সংশয় রয়েছে। সাংবাদিক ভাইদের প্রতি অনুরোধ থাকবে এমনটা হলে আমরা তা তুলে ধরবেন, প্রতিবাদ জানাবেন। 

এ সময় মাহবুবুর রহমান পলাশের দুলাভাই সাবেক কাউন্সিলর ও ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা আরবান আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম রেজা লিটন, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মান্নান মোল্লাসহ পরিবারের সদস্যগণ ও কর্মী-সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। 

Comments

comments

     এ জাতীয় আরো খবর